বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:২১ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকেলে অবলম্বন কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে নাগরিক সংগঠন জনউদ্যোগ। জনউদ্যোগ গাইবান্ধার আহবায়ক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পরিবেশ আন্দোলন গাইবান্ধার সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল, জেলা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, নারী নেত্রী মাজেদা খাতুন, সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সহ-সভাপতি জিয়াউল হক কামাল, জনউদ্যোগ গাইবান্ধার সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তী, শিক্ষক রনজিৎ সরকার, মানবাধিকার কর্মী অঞ্জলী রানী দেবী, নারী নেত্রী নাজমা বেগম, সেলিনা আকতার সোমা, শিক্ষক শাহাজাদী হাবিবা সুলতানা, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ গাইবান্ধা সদর উপজেলা আহবায়ক গোলাম রব্বানী মুসা, সমাজকর্মী মনির হোসেন সুইট, রবিদাস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক খিলন রবিদাস, ইয়ুথ লিডার সান্তনা রবিদাস, সাঁওতাল নেতা বৃটিশ সরেন, মারিয়া মুরমু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দুঃখজন হলো বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হলেও নারী অধিকার নিশ্চিত করা যায়নি। বরং নারীরা নানাভাবে শোষণ-বৈষম্য ও নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ এদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে। এমনকি ২৪’র আন্দোলনেও নারী শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি গণঅভ্যূত্থান পরবর্তী সময়ে নারীরাই সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে নারী ধর্ষণ, হত্যা, নির্যাতনের মত ঘটনা আতংকিত হওয়ার মতো। নারীদেরকে যথাযথ মর্যাদা দিতে না পারলে জাতীয় অগ্রগতির পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে।
বক্তারা আরো বলেন সারা দেশে সাঁওতাল-দলিতসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী অন্য সকল জনগোষ্ঠী অপেক্ষায় প্রান্তিক অবস্থানে রয়েছে, তেমনি মানবাধিকার এবং জীবনমানের সার্বিক দিক দিয়ে আজও নানাভাবে বঞ্চিত। বিশেষ করে সাঁওতাল ও দলিত নারীরা আরো প্রান্তিক অবস্থানে রয়েছে। সাঁওতালসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শূন্যতা ঠেকাতে তাদের প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে।